যশোরে সাড়ে ৫৪ লাখ টাকা সহ দুই প্রতারক গ্রেফতার - যশোর নিউজ - Jessore News

Breaking

Post Top Ad


Post Top Ad

Responsive Ads Here

Thursday, November 7, 2019

যশোরে সাড়ে ৫৪ লাখ টাকা সহ দুই প্রতারক গ্রেফতার

কথিত তক্ষক সাপ বিক্রির সাড়ে ৫৪ লাখ টাকাসহ দুই প্রাতারককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। প্রতারকদ্বয় হচ্ছে,নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানার বলরামপুর গ্রামের কাজী মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে বর্তমানে ঢাকা এলাকার শ্যামলীর বাসিন্দা স্মার্ট আইটি কোম্পানীর কর্মকর্তা কাজী মাসুদুজ্জামান ও গোপালগঞ্জ জেলার মুকছেদপুর উপজেলার আইকদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক শেখের ছেলে বর্তমানে ঢাকার শ্যামলীর বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম। এ সময় তাদের দখল হতে একটি সিলভার রংয়ের নোহা মাইক্রোবাস ও মাইক্রোবাসের চালক আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করেছে। সে কুমিল্লা জেলার দেবীদার পুর উপজেলার বরুরা গ্রামের বর্তমানে ঢাকা ফকিরাপুল এলকার বাসিন্দা।বুধবার বিকেলে যশোর বেনাপোল সড়কের সদর উপজেলার চাঁচড়া চেকপোষ্টের অদূর থেকে নোহা মাইক্রোবাস বহনকারীকারী তিনটি ব্যাগের মধ্যে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তিন জনকে হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হচেছ বলে জেলা বিশেষ শাখা(ডিএসবি)’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান,জেলা গোয়েন্দ শাখা (ডিবি)’র অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ জানতে পারেন একটি চক্র একটি নোহা মাইক্রোবাসে মাদকের একটি চালান নিয়ে বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাবে। বুধবার বিকেলে উক্ত খবরের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদ এর নেতৃত্বে ডিবি’র একটি টিম চাঁচড়া চেকপোষ্ট এলাকার অদূরে অবস্থান নেয়। বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪ টায় বেনাপোলের দিক হতে আসা উক্ত রংয়ের (ঢাকা মেট্টে চ -১৫-৬৮৭০)মাইক্রোবাস আসা মাত্র ডিবি’র ওৎপেতে থাকা টিম মাইক্রোবাসটিকে থামায়। ব্যরিকেট দিয়ে থামানোর পর মাইক্রোবাসে থাকা উক্ত দু’জন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানান,তাদের কাছে নগদ ৫৪লাখ ৫০ হাজার টাকা আছে দু’জনের কাছে। তাদেরকে মাইক্রোবাসসহ পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। পুলিশ লাইনে আনার পর সন্ধ্যায় পুলিশ লাইনের ডিবি অফিসে সাংবাদিকদের খবর দেয়া হয়। পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জেলা বিশেষ শাখা তৌহিদুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খ সার্কেল জামাল আল নাসের, কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান,জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহমেদসহ ডিবি’র কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের সামনে তাদের হেফাজতে থাকা গ্রেফতারকৃত দু’জন ও চালককে হাজির করাহয়।
 এ সময় তাদের দখলে থাকা টাকার উৎস সমন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ ও টাকা গণনা করা হয়। পুলিশ হেফাজতে থাকা রেজাউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,তক্ষক নামক একটি বন্য প্রাণী কেনা বেচার টাকা নিয়ে তারা ঢাকায় ফিরছিল। যশোর নাভারণ বাজারের অদূরে উলশী এলাকায় শাহাবুদ্দিন নামক এক ব্যক্তির দখলে থাকা তক্ষক নামক সাপ কেনাবেচা হলে এক কোটি টাকা লেনদেন হয়। ১ কোটি টাকার মধ্যে ৫৪লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে রেজাউল ইসলাম ও কাজী মাসুদুজ্জামান ঢাকায় ফিরছিল। রেজাউল ইসলাম জানান তিনি,ঠিকাদারী করেন আর কাজী মাসুদুজ্জামান একটি কোম্পানীকে ৭ বছর চাকুরী করেন। তাদের কাছে নোহা মাইক্রোবাসে বাংলাদেশ সরকারের স্টিকার লাগানোর ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে রেজাউল ইসলাম জানান,মাইক্রোবাসের

মালিক এনবিআর এ চাকুরী করে তাছাড়া এনবিআর এর কাজ কর্ম করার কারণে সেখানকার স্টিকার উক্ত মাইক্রোবাসে লাগানো হয়। তারা উক্ত মাইক্রোবাস ৮ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে যশোর এসেছে বলে জানান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান,গ্রেফতারকৃতরা ঢাকার রয়েল চিটিং ডিপার্টমেন্ট আর চিটিং ওয়েল চিটিং ডিপার্টমেন্টে কাজ করেন। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা রুজু করে একই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত তার সন্ধ্যানে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here